Like Us Like Us Facebook Subscribe Subscribe us YouTube Whatsapp Share us Whatsapp Query Send your queries

ঘরেবাইরে বাঙালির দাদাগিরি

ঘরেবাইরে বাঙালির দাদাগিরি

ঘরেবাইরে বাঙালির দাদাগিরি

*ফের অর্থনীতিতে বাঙালির নোবল : দ্বিতীয় বাঙালি হিসেবে নোবেল পেলেন অভিজিৎ বিনায়ক ব্যানার্জি। তিনি ভারতীয় হলেও আমেরিকান অর্থনীতিবিদ। দ্য রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সের জন্য সস্ত্রীক নোবেল পান অভিজিৎ ব্যানার্জি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্ত্রী এস্থার দুফলো-র সঙ্গে এই অর্থনীতির ওপর গবেষণা করছিলেন। অভিজিৎ ব্যানার্জি পাশাপাশি নোবেল পান তাঁর স্ত্রীও। ১৯৮৮ সালে অর্থনীতির ওপর নোবেল পেয়েছিলেন প্রথম বাঙালি অমর্ত্য সেন। আর গতকাল তাঁরই ছাত্র অভিজিৎ ব্যানার্জি নোবেল পান। অভিজিৎবাবুর বাবা দীপক ব্যানার্জি প্রেসিডেন্সি কলেজে অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ছিলেন এবং তাঁর মা নির্মল ব্যানার্জি কলকাতা স্ট্যাটেজি ইন সোশল সায়েন্সেসে অর্থনীতি বিভাগের একজন অধ্যাপিকা ছিলেন।
অভিজিৎ ব্যানার্জি নোবেল পাবার পর তাঁর মা জানান, আমার ছেলে নয়, সবার ছেলে। দারিদ্র দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য কাজ করছে অভিজিৎ। তার গবেষণার ফলে ৫০ লক্ষেরও বেশি ভারতীয় শিশু উপকৃত হয়েছে। সামনের মাসেই সম্ভবত শহরে আসার কথা অভিজিতের। কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রাক্তন ছাত্র নোবেলজয়ী অভিজিৎ বাবু জানিয়েছেন, দেশের অর্থনীতির পরিস্থিতি নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট হতে পারছেন না ।তাঁর মতে, গত ৭-৮ বছরে বেকারত্ব থাকা সত্ত্বেও দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার ঠিক ছিল। তবে ভারতের অর্থনীতিতে তিনি সন্তুষ্ট নন। বর্তমানে টলমল করছে ভারতীয় অর্থনীতি। ভারতীয় অর্থনীতিকে খোঁচা দিলেও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী। প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি দারিদ্র দূরীকরণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন নোবেল জয়ের জন্য তাঁকে অভিনন্দন।

*ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হলেন সৌরভ : জেদ, নিষ্ঠা এবং একগ্রতা থাকলে একটা মানুষ কোথায় পৌঁছতে পারে এই মুহূর্তে তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সৌরভ গাঙ্গুলি। বাইশ গজের লড়াই থেকে ভারতীয় ক্রিকেটের মসনদে। কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় সর্বসম্মতভাবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হলেন মহারাজ। ক্রিকেটীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে খুব স্বাভাবিক বিষয় মনে হলেও বোর্ডের শীর্ষকর্তা হওয়ার পিছনে রয়েছে অনেক রাজনৈতিক সমীকরণ। এমনটাই দাবি বিশেষজ্ঞদের। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নির্বাচনের দৌড়ে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের পুত্র জয় শাহ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও প্রাক্তন বোর্ড সভাপতি অনুরাগ ঠাকুরের কাছের লোক ব্রিজেশ প্যাটেল। দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রার্থীকে সরিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলিকে বোর্ড সভাপতি করা হয়।নির্বাচন ছাড়াই সৌরভের এই পদ পাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে রাজনীতির পাশার চাল।কারণ বোর্ডের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ সবসময়ই থাকে। ২০২১-এ পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। এই বাংলাকে পাখির চোখ করে এগিয়ে চলেছে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই কথা মাথায় রেখেও বাংলার আবেগকে হাতিয়ার করল বিজেপি, এমনটাই অভিমত বিশেষজ্ঞ মহলের। সৌরভ বাংলার আবেগ। সেই আবেগকে বাগে আনতে নিজের ছেলে জয়কে বোর্ডের সভাপতির লড়াই থেকে সরিয়ে দেন অমিত শাহ।বাংলার জমিতে পদ্মফুলের জমি আরও শক্ত করতে ব্রিজেশ প্যাটেলও নাকচ হয়ে যায়। আপাতত সৌরভ মাত্র ১১মাস ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবে কাজ করতে পারবেন। আরবসাগরের তীরে বেশ কিছু মনে রাখার ম্যাচ রয়েছে সৌরভের। কিন্তু ১৩ ও ১৪ অক্টোবর সৌরভ বাইশ গজের বাইরে যেভাবে ম্যাচ জিতলেন তা অনেক রাজনীতিবিদকে ঘোল খাইয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট।

বার্তা ৩৬৫-র প্রতিনিধি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *